Showing posts with label ভয়ংকর ভুতের গল্প. Show all posts
Showing posts with label ভয়ংকর ভুতের গল্প. Show all posts

Saturday, July 7, 2018

বাংলা ভূতের গল্প(ভুতু আমার সঙ্গে একটা ছবি তোলো)

গল্পটি লিখেছেন মোঃ জাফর ইকবাল
রাত ১১ টা। বাড়িতে পড়ার টেব্‌লে দুলে-দুলে বাংলা পড়ছিল ছ’বছরের একটি ছোট্ট মেয়ে। হঠাৎ তার মা মোবাইল নিয়ে এসে তাকে বললেন, ‘‘কথা বল, ফোনে।’’ ফোন ধরে অত্যন্ত সাবলীলভাবে ‘‘হ্যালো’’ বলল আর্শিয়া মুখোপাধ্যায়। যেন ফোনটা তার কাছে আসার কথা ছিল। প্রতিবেদক তার কাছে অচেনা। কিন্তু অচেনা কণ্ঠস্বরের প্রভাব বিন্দুমাত্র আঁচ ফেলেনি আর্শিয়ার গলায়। ‘হ্যালো’ বিনিময়ের পর মিষ্টি সুরেলা স্বরে সে প্রতিবেদককে জিজ্ঞেস করল, ‘‘কেমন আছ তুমি?’’ গত একমাস হল নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে আর্শিয়া। সিরিয়াল চলাকালীন যা হত না। জি ডি বিড়লা স্কুলে ক্লাস ওয়ানের ছাত্রী সে। এই এপ্রিলে ক্লাস টু হবে। ‘‘এখন মেয়ের পড়াশোনায় বেশ মন। রোজ স্কুল থেকে এসে প্রথমেই আমাকে বলে, মা, আজ এর সঙ্গে ঝগড়া করলাম, কাল ওর সঙ্গে ভাব করলাম, আজ এই খেলাটা খেলেছি। স্কুলের আন্টি আমাকে গুড দিয়েছে। এমন হাজারো কথা…’’ গলায় পরম তৃপ্তি আর্শিয়ার মা ভাস্বতী মুখোপাধ্যায়ের। সিরিয়াল চলার সময় প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া না হলেও মেয়ের পড়াশোনায় ফাঁক পড়তে দেননি ভাস্বতী। শ্যুটিংয়ের ফাঁকে আলাদা ঘরে মেয়েকে নিয়ে বসে যেতেন, কখনও ছড়া শেখাতে কখনও ম্যাপ দেখে দেশ চেনাতে। তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও? উত্তর দিতে বেশি সময় নিল না সে, ‘‘ডাক্তার।’’ তুমি যে এত ভাল অভিনয়করো, বড় হয়ে অভিনেত্রী হতে চাও না? প্রশ্ন শুনে আর্শিয়ার পরিষ্কার উত্তর, ‘‘না, অভিনেত্রী নয় ডাক্তারই হব।’’ শ্যুটিং না স্কুল, কোনটা বেশি মজার? এই প্রশ্নের উত্তর সে দিল একেবার পাকা অভিনেত্রীর মতো, ‘‘দুটোই।’’ এই ‘দুটো’ থেকে তাকে কিছুতেই সরানো গেলনা। সমবয়সি অন্যান্য বাচ্চাদের চেয়ে সে যেন একটু বেশিই পরিণত! এটাকি তার জীবনে নতুন সংযোজন নাকি বরাবরই সে এমন? ‘‘ও বরাবর ম্যাচিওর্ড। কোনও বিজ্ঞাপন বা সিনেমা দেখে তা নকল করার অভ্যেস ওর ছোট থেকেই। ওর বাবার (দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়) চাকরিসূত্রে আমরা যখনরাজস্থানে থাকতাম, তখন ওর তিন বছর বয়স। একদিন হঠাৎ দেখি ও কাঁদছে।আমি শশব্যস্ত হয়ে বললাম, ‘কী হয়েছে?’ বলল, ‘কিছু না অভিনয় করছি।’ টিভিতে দেখেছে নায়িকা কাঁদছে, ও সেটাকে নকল করছিল। একদিন অটো স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি, হঠাৎ বলছে, ‘ছোড় দো..ছোড় দো…’’ আমি ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হল?’ হেসে বলল, ‘অ্যাকটিং করছি মা।’ বুঝুন!’’ হেসে বললেন ভাস্বতী। যে বিল্ডিংয়ে আর্শিয়া থাকে, সেখানে তাঁর বয়সি ছেলেমেয়ে কম, কাছাকাছি খেলার মাঠও নেই। তাই স্কুল থেকে ফিরে আর্শিয়া কখনও মায়ের তৈরি তার প্রিয় পুডিংয়ের বাটি নিয়ে কখনও আবার তার মনের মতো চিকেন খেতে-খেতে মজে যায় টিভিতে প্রিয় কার্টুন ডোরেমনে। ভাল লাগার জিনিসের মধ্যে আর্শিয়ার সবচেয়ে প্রিয় বার্বি ডলকে। ‘‘জানো, আমার বার্বির দুটো স্যুটকেস আছে, মাফলার আছে, বাড়ি আছে, অনেকগুলো জামা-জুতো আছে! আমি ওকে রোজ সাজাই। দিদির সঙ্গে বার্বি নিয়ে খেলি,’’ আহ্লাদ ঝরে পড়ল আর্শিয়ার গলায়। সেলেব্রিটি মুকুটটা খুলে রেখে আর পাঁচটা সাধারণ বাচ্চার মতো, বাবা-মা, দিদির সঙ্গে জীবন কাটছে তার। কিন্তু মুকুট না থাকলেও সে এখনও অনেকের নয়নের মণি। মা, ভাস্বতী তাই যেন একটু দুঃখ করেই বললেন, ‘‘আগের মতোওকে সর্বত্র নিয়ে যাওয়া মুশকিল। এই তো দেখুন না, সেদিন একটা বিয়ে বাড়ি গিয়েছি, নিমন্ত্রিতরা বউকে আগে না দেখে সকলের একটাই আবদার, ‘ভুতু আমার সঙ্গে একটা ছবি তোলো।’ খুব অস্বস্তি লাগছিল। সমবয়সিদেরসঙ্গে খেলতে পারছিল না বলে বেচারা প্রায় কেঁদেই ফেলে। তাই এখন খুবপরিচিত জায়গা না হলে ওকে নিয়ে যাই না।’’ মাত্র এক মাস হয়েছে সিরিয়াল থেকে ছুটি পেয়েছে আর্শিয়া কিন্তু এর মধ্যেই অন্য সিরিয়ালের অফার এসেছে ভাস্বতী ও দীপঙ্করবাবুর কাছে। কিন্তু তাঁরা চাইছেন আরও বেশ কিছুদিন তাঁর মেয়ে এই স্বাভাবিক জীবনে থাকুক। তারপর তাঁরা ভেবে দেখবেন মেয়ে অভিনয় করবে কি না। আর্শিয়া অবশ্য নিজে এখন স্কুল নিয়েই মেতে আছে। শুধু একটা জিনিসই সে খুব মিস করে।সেটা পটেটো চিপস। সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ের সময় নবীনা সিনেমা হলের মালিক তাকে রোজ এক প্যাকেট করে চিপস উপহার দিত। সেটা আর পাওয়া হচ্ছে না। এইটুকুই যা দুঃখ!

ভয়ংকর ভুতুড়ে প্রেমের গল্প

ভূতের প্রেম
পরিক্ষা শেষ,,অনেকদিন ধরে ফেসবুক চালাই না|| তাই আজ বিকেলে একটু ফেসবুকে ঢুকলাম ফ্রেন্ডদের সাথে একটু চ্যাট করলাম| তারপর একটা গ্রুপের গল্প পড়তে লাগলাম..গল্পটা পড়তে পড়তে ৬-৭মিনিটের মতো লেগেগেলো|| পড়ার পর আরেকটু চ্যাট করলাম..একটু ক্লান্ত ছিলাম তাই চোখ লেগে গেলো|| ঘুম ভাঙলো সন্ধায়.. _ এইরে ডাটা টা অন করেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম..ডাটা অফ করতে যাবো তখনই দেখলাম কিছু নতুন ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট আসছে তার মধ্যে একটা আইডি "মায়াবি কাজল" আইডিরনামটা ভালো লাগলো তাই এসেপ্ট করলাম|| . (পরেরদিন) . কলেজে বসে বাদাম খাচ্ছি আর এটা গল্প লেখার চেষ্টা করছি..(কথার মাঝেই পরিচয়টাসেরে ফেলি,,আমি সুমিত,এইবারই কলেজে পা দিয়েছি ফার্স্ট ইয়ারে..বাকিকথা পড়ে হবে) . যাক গল্প লেখা শেষ..ফেসবুকের একটা গ্রুপে পোষ্ট করলাম|| এরই মাঝে ঐ মেয়েটার মেসেজ এসেছে..মেসেজটা কাল রাতেই দিয়েছিলো কিন্তু খেয়াল করিনি|| যাই হোক মেসেজে "Hi" লিখেছে তাইআমিও "Hlw" দিলাম..কিন্তু এখন ও অনলাইনে নেই|| . (রাতে) . ডিনার করে ফেসবুকে ঢুকলাম..আমরা আসলে একটু দেরিতে ডিনার করি..তখন 12.6 বাজে ফেসবুকে ঢকতেই দেখি মেয়েটার মেসেজ.. মেয়ে:কেমন আছেন? আমি:ভালো আপনি? মেয়ে:ভালো..আপনার গল্পগুলো পরলাম..ভালোই তো লেখেন আমি:ধন্যবাদ মেয়ে:আপনার নাম টা জানতে পারি?? আমি:সুমিত..আপনার?? মেয়ে:কাজল আমি:বাহ ভালো তো নাম টা.. মেয়ে:ধন্যবাদ আমি:আচ্ছা গুড নাইট.. মেয়ে:গুড নাইট সেদিন আর কথা হয়নি ওর সাথে.. . (পরেরদিন) . ঠিক একই সময়ে ফেসবুকে ঢুকলাম..মানে12 টার পরে|| ঢুকে দেখলাম চ্যাটে অনেকেই আছে কিন্তু কাওকেই চিনিনা..ভার্চুয়াল ফ্রেন্ড তো তাই হয়তো.. কিন্তু সবার মাঝথেকে একজনের সাথে কথা বলার ইচ্ছে করতাছে,ঐ মেয়েটির সাথে.. তাই নিজের ইচ্ছেকে বাধা না দিয়ে ওকে একটা মেসেজ দিলাম.. ওইদিন ওর সাথে অনেক কথা বলেছি,একদিনেই ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম..সত্তি মেয়েটা অনেক মিশুক,,গুছিয়ে কথা বলতে পারে ভালো.. . . (পরের দিন) . . আজ ওকে আরচ্যাট এ পেলামনা..ফেসবুক চালানোটা একধরনের নেশা|| কখন যে সময় চলে যায় বোঝাই যায় না.. আজ খুব ক্লান্ত লাগছে তাই আর বেশিক্ষন ফেসবুকেথাকতে ইচ্ছা করছে না|| . ১১.৫৬ বাজে..নোটিফিগেশন গুলো চেক করলাম এবং নিউজফিড ঘুরতে লাগলাম.. হঠাৎ একটু অবাক হলাম ঠিক ১২.১ এ একটা মেসেজ|| বাহহ..গুড টাইমিং আমার আবার অসাধারন জিনিস সংগ্রহ করার শখআছে..তাই একটা স্কিনসট তুলে রাখলাম.. . মেসেজটা ছিলো কাজলের.. কাজল:কি করেন?? আমি:কিছু না..আচ্ছা আপনাকে তো সারাদিন fb তে পাই না,কিন্তু এতো রাতে কি করেন?? কাজলno reply) . .আমারও ভালো লাগছিলোনা তাই ঘুমিয়ে পরলাম.. . পরদিন কেন জানি কাজলেরকথা ভাবতে লাগলাম..কৌতুহল হলো একটু ও এতো রাতে কি করে ফেসবুকে??. . (পরদিন সকারবেলা) উফফ বেশি ভাবতে ভালো লাগেনা.. ভাবলে যদি আবার ঐ প্রেম নামক গর্তে পরে যাই.. একবার পরছিলাম,কিন্তু সে তো___ . হায় হায় আমি আবার বক বক শুরু করলাম..তো আমি কাজলের কথাভাবছিলাম তাই না?? নাহ ভেবে কি হবে?? রাত ১২টার সময় তো অনেকেইথাকে ফেসবুকে.. মনে হয় বেশি ফেসবুক চালাতে চালাতে আমার মাথাটা পুরাই গেছে.. . এইরে ১০টা বেজে গেছে কলেজে যেতে হবে..আজকে আবার লেট হবে শিউর|| বিছানা থেকে নামতেই অভির ফোন.. . অভি:শালা কই তুই?? কলেজে যাবিনা?? আমি:হুওমম..(পাউরুটি খেতে খেতে) অভি:তারাতারি আয়.. আমি:ওকে.. . কলেজে গিয়ে স্যারের ঝারি শুনতে হলোঅনেক লেট করে ফেলছি.. . ক্লাস শেস করে আমার অদ্ভুত কালেক্সন গুলো দেখতে লাগলাম.. কিন্তু কারকের ওই স্কিনসট টা দেখে একটু অবাক হলাম.."মায়াবি কাজল" লেখাটা কেমন জানি লাল হয়ে আছে|| হুরর আবার উলটা পালটা ভাবতে লাগলাম..ফেসবুকের নতুন আপডেট মনে হয়?? ভার্চুয়াল তো হতেই পারে.!! . এখন ওর সাথে রোজ কথা হয়..কিন্তু ঐ রাত ১২টার পরেই ওকে যদি বলি সারাদিন কোথায় থাকে?? এতো রাতে ফেসবুকে কি করে কিছু বলেনা..পার্সোনাল প্রবলেম হয়তো.. প্রতিদিন ওরসাথে করা হতো ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম.. কেটে গেলো ২মাস . . একদিন ও আমাকে হঠাৎ দেখা করতে বলে.. একটু অবাক ই হলাম কারন ওর ফোন নাম্বারচাইলে না করতো আর আজ দেখা করতে বলছে.. আমার তো খুশিতে নাচতে ইচ্ছাকরছে.. . . পরেরদিন ফেসবুকেই ছিলাম একটু বোরিং লাগছিলো তাই কাজলেরআইডিতে একটু গেলাম.. প্রোফাল পিক চেন্জ করেনা অনেকদিন ধরে..দুই বছর আগে একবার চেন্জ করেছিলো.. ওর সাথে আমার এক মিউচুয়ার ফ্রেন্ড আছে.. আইডির নাম হলো রন্জন বনিক|| সময় কটাছিলোনা তাই একটা মেসেজ দিতে গেলাম|| গিয়ে দেখলাম ছেলেটা আমাকে অনেক আগেই মেসে দিয়েছে কিন্তু আমি দেখিইনি.. মেসেজে লিখেছে "ভাই ঐ মেয়েটার থেকে দুরে থাকতে.." অনলাইনে আছে তাই বল্লাম কোন মেয়ে?? . রন্জন:ঐ যে মায়াবি কাজল(একটু দেরি হলো মেসেজটা দিতে) আমি:কেন?? আপনার বোন-টোন হয় নাকি?? রন্জন:না ভাই..ও মানুষ না|| আমি:হাহাহা..ভাই মজা কইরেন না.|| রন্জন:আরে ভাই আমি মজা করছি না|| শুনুন তাহলে ওর নাম কাজল সেটা তো জানেনই কিন্তু ওর ব্যাপারে আসল সত্য জানেন না|| ওর একটা বয়ফ্রেন্ড ছিলো ৩ বছরের রিলেশন ছিলো.. কিন্তু তাদের ভালোবাসার সম্পর্কটি বাসা থেকে মেনে নেয়নি||তাই তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে তারা পালিয়ে বিয়ে করবে,,তাই ছেলেটি কথা মতো সে তার বাড়ি থেকে অনেক টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়|| কিন্তু ছেলেটি এতগুলো টাকার লোভসামলাতে পারলোনা তাই মেয়েটিকে মেরে কদমতলিতে ফেলে রেখেছিলো|| আপনাকে নিশ্চই কদমতলিতে দেখা করতে বলেছে তাইনা?? আমি:হ্যা(একটু অবাক হয়ে) রন্জন:এর আগে তিনজনকে যেতে বলেছিলো তাদের সবার মৃত দেহ পাওয়া গেছে|| . . এগুলো জানার পর কাজলকে সাথে সাথে ব্লক করে দিছি.. কারন আমার জিবনেরও একটা মায়া আছে এই বয়সে মরার শখ নাই!! .. . """""সমাপ্ত""""" ^_^

গল্প টি লিখেছেন মোঃজাহিদুল ইসলাম
অাপনার সাথে ঘটে যাওয়া যেকোনো গল্প অামাদের মাধ্যমে শেয়ার করতে অামাদের ফেসবুক এ মেসেজ দিন ধন্যবাদ

বাংলা ভুতের গল্প (মামার জীবনে ভুত)

ভুতের গল্প
গল্পঘটনাটি আমার এক মামার কাছ থেকে শোনা এবং রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে মামাসহ আরো একজনের সাথে । তো মামা এবং মামার বন্ধু নওগা হয়ে আসছিল গাড়ি চালিয়ে । গাড়ি চালাচ্ছিল মামার বন্ধু ।তারা যখন নওগা নহাটাতে পৌছল তখন ঘটনাটি ঘটে ।তখন রাত প্রায় তিনটা । তারা মাইক্রোবাসে করে যখন আসছিল সেই মুহূর্তে তারা একটা মেয়েকে দেখতে পায় রাস্তার ধারে দাড়ানো অবস্থায় । মামার বন্ধু বলে এত রাতে এখানে একটা মেয়ে,বোধহয় বিপদে পড়েছে,চল মেয়েটিকে সাহায্য করি ।মামা তখন বলে তুই কি ঠিক আছিস,দেখ চারিদিকে বিল,আশেপাশে কোন বাড়িঘর নাই ।তাছাড়া রাত বাজে ৩টা এত রাতে এমন নির্জন জায়গায় একটা মেয়ে!! মামার বন্ধুটি ভূত প্রেত কিছুতেই বিশ্বাস করেনা । তোসে মামাকে বলল তুই না গেলে না যাস আমি যাব ।মামার বন্ধুটি গাড়ি ঘুরিয়ে সেই মেয়েটি যে জায়গায় ছিল সেই জায়গায় যেয়ে দেখে মেয়েটি হাটু গেড়ে বসে আছে । তারা নেমে দেখে সেটি ছিল এক মহিলা ।বয়স আনুমানিক ৪০-৪৫। তারা মহিলাকে বলে এত রাতে আপনি এখানে কোন বিপদ হয়েছে নাকি ।মহিলাটি কোন কথা না বলে ফুপিয়ে কাদতে থাকে । মহিলার কান্নার কারন জানতে চাইলেও মহিলাটি কিছুই বলেনা ।হঠাত্ মহিলাটি বিলের মধ্য দিয়ে হেটে যেতে থাকে । মামা বন্ধুকে বলে মহিলার সাথে যাবার দরকার নাই,বিপদ হতে পারে ।কিন্তু বন্ধুটি মামারকথা না শুনে মহিলার পেছন পেছন যেতে থাকে । নিরুপায় হয়ে মামাও যায় তার সাথে ।কিছুদূর যাবার পর মহিলাটি পোটলার মত কিছু একটা দেখিয়ে হু হু করে কেদে উঠল । মামা এবং বন্ধু যেয়ে দেখে পোটলার ভেতর একটা কাপড়ে ঢাকা ছোট বাচ্চার লাশ । মামা এই লাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মহিলাটি চুপ করে কাদতে থাকে । মামারা ভাবে মহিলাটি হয়তো বোবা ।হুট করে মামার বন্ধুটি বলে উঠে যে চল মহিলাটি আমরা সাথে করে নিয়ে যাই,এই নির্জন এলাকায় এত রাতে ফেলে রেখে যাওয়া উচিত হবে না । মামা অনিচ্ছা সত্বেও রাজি হলো । মহিলাটিকে গাড়ির পেছন সিটে বসিয়ে গাডি চলতে থাকল ।সময় তখন রাত ৩.৫০কিছুদূর যাবারপর গাড়ির ইন্জিন হঠাত্ বন্ধ হয়ে গেল । গাড়ি সারতে সারতে প্রায়৪.১৫বেজে গেল ।গাড়ি আবার চলছে এমন সময় মামা লুকিং গ্লাসেরদিকে তাকিয়ে দেখে মহিলাটার মাথাহীন দেহ ।সাথে সাথে পেছন ফিরে দেখে মহিলাটি ঠিকই আছে । কিন্তু আবার যখন লুকিং গ্লাসের দিকে তাকাল তখন একই দূশ্য দেখল ।মামা তখন তার বন্ধুকে দেখতে বলল ।বন্ধুটিও একই দূশ্য দেখে ভয়ে কাপতে লাগল এবং তারা দুজনই প্রচন্ডঘামতে শুরু করল ।মামা ভয়ে কাপড় দিয়ে লুকিং গ্লাস ঢেকে দিল এবং মহিলার দিকে তাকিয়ে বলল আপনি কি কিছু খাবেন ।সাথে সাথে খেয়াল করে মহিলাটির চোখ অনেকখানি লাল এবং মৃত শিশুটি তার কোলেই রয়েছে ।মামারা আল্লাহ আল্লাহ করতে থাকল । কিছুদূর যেতে না যেতে তারা সেই মহিলাটিকে রাস্তার পাশে দাড়ানো অবস্থায় দেখে কিন্তু মহিলাটি তো তাদের গাড়িতে বসা ছিল । তারা গাড়িটা থামিয়ে দিল এবং একসাথে দেখল যে পেছনে মহিলাটি নাই এবং সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা হচ্ছে মৃত বাচ্চাটি সিটের উপর দাড়িয়ে তাদের দিকে মুচকি হাসছে এবং বাচ্চাটির চোখের মনি নেই ।এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে বন্ধুটি সেন্সলেস হয়ে যায় ।মামা মনে সাহস আনার চেষ্টা করল এই ভেবে যদি আমার কিছু হয় তাহলে আমাদের আজ রাতে এখানে পড়ে থাকতে হবে,কিছুতেইগ্যান হারানো যাবে না ।মামা এবার নিজে ড্রাইভ করতে লাগল এবং ভয়ে পেছনে তাকাচ্ছে না । মামা যত সূরা জানে সবগুলো পড়তে লাগল ।হঠাত্ মামা পেছন থেকে খঠমট আওয়াজ শুনতে পেল । মামা ভয়ে ভয়ে লুকিং গ্লাসের কাপড় সরিয়ে দিয়ে দেখে বাচ্চাটি একটা রক্তাক্ত পা চিবাইচিবাই খাচ্ছে । এইটা দেখে মামা গাড়ির গতি আরো বাড়িয়ে দিল এবং মামা নাকি আরো ২বার মহিলাটি দাড়ানো অবস্থায় দেখেছে । ইতিমধ্যে সকাল হয়ছে তো মামা দেখে রাস্তাঘাটে মানুষ এবং যানবাহন চলছে ।ঘড়িতে তখন সকাল ৭.২৫ । মামা গাড়ি থামিয়ে পেছনে দেখে কেউ নাই শুধুমাত্র সেই কাপড়টা ছাড়া যে কাপড়ে বাচ্চাটি ঢাকা ছিল ।মামা যেয়ে দেখে কাপড়ের মধ্যে কয়েকটা রক্তাক্ত হাড় পড়ে আছে ।মামা রাস্তার কয়েকজন লোককে ডেকে আনল ব্যাপারটা দেখানোর জন্য ।কিন্তু এসে দেখে গাড়ির পেছনের সিটে কাপড়সহ রক্তাক্ত হাড়গুলো নেই!!

অাপনাদের সাথে ঘটে যাওয়া যেকোনো ভুতের গল্প অামাদের মাধ্যমে শেয়াী করতে অামাদের ফেসবুক পেজ এ মেসেজ করুন।




ভয়ংকর সব ভুতপর গল্প পড়তে Banglagolpo.blogspot.com  সাথেই থাকুন

অামাবস্যার সেই রাত

ভুতের বাড়ি



দিন চারেক হল খুন হয়েছে ও পাড়ার কালাম মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া । প্রকাশ্য দিনে দুপুরে কে বা কারা জবাই করে খুন করেছে তাকে । এ নিয়ে মামলা হলেও এখনো কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি পুলিশ । এদিকে ছেলে খুন হওয়ার পর থেকে কালাম মিয়ার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন । দানা পানি ছেড়ে দিয়েছে লোকটি । কিইবা করবে সে ? ভবে যে আপন বলতে আর কেউ রইলনা তার ! সজিব ছেলে হিসেবে খুব ভাল এবং নম্র-ভদ্র ছিল । কারো সাথে কোনদিনও ঝগড়া করতে দেখা যায়নি তাকে । তবে অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি সে । এইতো সেদিন , খুন হওয়ার আগমুহূর্তে কয়েকজন সন্ডা-পান্ডা ছেলের লালসার হাত থেকে প্রাণ বাঁচাল যতীন চন্দ্রের কলেজ পড়ুয়া মেয়েটার । হয়তো সে জের ধরেই খুন হয়ে থাকতে পারে সে ! যাকগে বাবা , ওসব ভেবে আমার কাজ নেই ! কোনদিনদেখা যাবে আমাকেও খুন করে ফেলে রাখা হয়েছে ঐ বড় রাস্তার মোড়ে ! – তাই বলে কি আমরা চুপ করে বসে থাকব ? অবাক হয়ে সুরেষের কাছে জানতে চাইল ফারুক । – তো কি করব ? আগাছা উপড়াতে গিয়ে নিজে উপড়েযাব ! না বাবা ! মরণকে আমি ভীষণ ভয় পাই ! তার চেয়ে বরং কুলি মানুষ, দুবেলা খেটে এক বেলার খাবার যোগাড় করব । ওসব ব্যাপারে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই আমাদের । ফারুক কিছু বললনা । তবে চেহারা দেখে মনে হল সুরেষের কথাগুলো ঠিক মেনে নিতে পারছেনা সে । রাতের বেলা সুরেষ আর ফারুক স্টেশন থেকে বাড়ির পথে হাঁটছে । এসময় চৌধুরীদের কলা বাগানের পথ ধরে যাওয়ার সময় হঠাত্ থমকে দাঁড়াল তারা । বাগানের মাঝখানটায় কেমন যেন খচ খচ শব্দ হচ্ছে । গাছের পাতাগুলোও কেমন যেন নড়ে উঠছে । অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে এগিয়ে যেতে চাইল ফারুক । কিন্তুহাত ধরে আটকে দিল সুরেষ । মাথায় ইশারা করে বুঝাল ওখানে যাওয়া ঠিক হবেনা । কারণ রাত এখন অনেক । কমচে কম ১২ টা হবে । তাছাড়া অমাবস্যার রাত । ঘুটঘুটে অন্ধকার । যদি মন্দ কিছু হয়ে যায় ! তখন? সুরেষের কথায় যুক্তি আছে । তাই আর ওদিকে না গিয়ে বাড়ির পথেই পুনরায় চলতে লাগল তারা । কিছুদূর যাওয়ার পর দুজনেরই মনে হল কেউ যেন তাদের পিছু নিয়েছে । ফারুক সাহস করে এগিয়ে চললেও সুরেষের কিন্তু প্রচন্ড ভয় হচ্ছে । মনে মনে রাম রাম জপ করা শুরু করে দিয়েছে সে । শরীরটা যেন ক্রমেই অবশ হয়ে যাচ্ছে তার । হাঁটতে গিয়ে পায়ে পায়ে বাড়ি খেয়েও খাচ্ছেনা ও । অবস্থা বুঝতে পেরে তাই সুরেষেরকাঁধে হাত চেপে তাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করল ফারুক । কিন্তু কিছুদূর যেতেই হঠাত্ মট মট শব্দ করে তাদের একেবারে পায়ের সামনে এসে পড়ল একটা ঝোপড়াল জামের ডাল । তাই থমকে দাঁড়াল তারা । কলিজাটা কেমন যেন কুঁচকে যেতে চাইল তাদের । শ্বাস-প্রশ্বাসওযেন থেমে গেছে ঠেকল ।


। অনেক কষ্ট করে ভিতর থেকে একটা গরম হাওয়া যেন ঠেলে বের হয়ে আসল দুজনের । এসময় ধুপ করে নেমে পড়ল বৃষ্টি । সাথে বয়ে চলল ভীষণ ঝড় । একেবারে গাছ পালা ভেঙে পড়ার মত দশা । অবস্থা বেগতিক দেখে তাইদৌড় লাগাল তারা । হাঁপাতে হাঁপাতে এসে উঠল চেয়ারম্যান বাড়িতে । কিন্তু রাত বেশি হওয়াতে ঘুমিয়ে পড়েছে সবাই । এখন কি করবে তারা ? সুরেষ জিজ্ঞেস করল । ফারুক কিছু না বলে তড়ি গড়ি করে এগিয়ে চলল কামলা বাচ্চুর ঘরের দিকে । চেয়ারম্যানের খাস চাকর সে । তবে ফারুকের সাথে বেশ খাতির রয়েছে তার । দরজার সামনে এসে এলোপাথারি থাপড়াতে থাকল কাঠের তৈরি দরজাটায় । কিন্তু বাইরের ঝড় বৃষ্টির কারণে কোন শব্দই পৌঁছুল না বাচ্চুর কানে । তার উপর কাচা ঘুম । এ ঘুম কি এত সহজে ভাঙে ! এভাবে কিছুক্ষণ ডাকার পর কোন সাঁড়া শব্দ নাপেয়ে জানলাটার কাছে গেল তারা । ধাক্কা দিতেই খট করে খুলে গেল সেটি। এবার বিদ্যুত চমকানির আলোয় স্পষ্ট দেখা গেল বাচ্চুর মুখখানি । এদিকে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে শরীর যেন একেবারে জমে গেছে । সুরেষটা ক্ষাণিক কাঁপতেও শুরু করে দিয়েছে । তাই আর দেরি না করে হাতের মুঠিতে কিছুটা পানি নিয়ে ফারুক ছুড়ে মারল বাচ্চুর দিকে । পানির স্যাঁতস্যাঁতে পরশ পেতেই আচমকা জেগে উঠল সে । উঠেই বিছানার দিকে তাকাল ও । কিন্তু অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছেনা । তাই হাতরে হাতরেঅবস্থা বুঝতে চাইল ও । একি ! আবারো বিছানায় পেশাব করে দিয়েছে সে? মনে মনে ভাবল হারান কবরেজটাকে ভাল করে টাইট দিতে হবে । বেটা , আমার সাথে বিটলামি ! ভেজাল অষুধ দেওয়া , না ! দুইদিনেই একশন শেষ !হঠাত্ বিদ্যুত্ চমকে উঠল আকাশে । জানলাটার দিকে চোখ পড়তেই আঁতকে উঠল বাচ্চু ! ওমা ! এ যে দুজোড়া চোখ ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে আছে তারদিকে । ভয়ে কাঁথা মুড়ি দিয়ে কাঁপতে কাঁপতে দোয়া দুরুদ পড়তে লাগল সে । এসময় ফারুকের গলার আওয়াজ শুনতে পেয়ে আলগোছে উঠে বসল ও । কোনরকমে তাকাল জানলাটার দিকে । আকাশে অনবরত বিদ্যুত্ চমাকাচ্ছে বলে ফারুককে চিনতে বেশি সময় লাগলনা তার । তাড়াতাড়ি করে বন্ধ দরজাটা খুলে দিলে ফারুক আর সুরেষ ঘরে ঢুকল । এরপর দুজনকে দুটো শুকনো কাপড় আর একটা গামছা দিলে তা দিয়ে শরীরটা মুছে ভিজা কাপড়গুলোপাল্টে ফেলল তারা । ইতিমধ্যে বাচ্চু তার হারিকেনটাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়েছে । – এবার বল , এতরাতে তোমরা কোথ্থেকে ? অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল বাচ্চু ! – আর বলোনা ভাই ! কাজ সেরে স্টেশন থেকে ফিরছিলাম । কিন্তু চৌধুরীদের কলা বাগানটায় আসতেই কিসব কান্ড কারখানা ঘটতে লাগল ! সুরেষতো ভয়ে কাঠ ! আমিও কম ভয় পাইনি ! এরমধ্যে বৃষ্টি আর ঝড় শুরু হলে কোনরকমে দৌড়ে তোমার কাছে এলাম । বেশ করেছ , এখন শুয়ে পড়তো দেখি । সকাল হলে বাড়ি যেওক্ষণ । হারিকেনের প্রদীপটা নিভু নিভু করে শুয়ে পড়ল তারা । বাইরে তখনো ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে । বিদ্যুত্ চমকানির পাশাপাশি ক্ষণে ক্ষণে শোনা যাচ্ছে গুড়ুম গুড়ুম মেঘেদের চিত্কার । যাইহোক , ভোরের আলো ফুটতেই ফারুক আর সুরেষ বাচ্চুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রওনা দিল বাড়ির দিকে । চৌধুরীদের বাগানটার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাত্ মনে পড়ল গত রাতেরকথা । তাই কৌতূহল বশত বাগানে ঢুকল তারা । ঢুকে দেখল চৌধুরীর ক্ষত বিক্ষত লাস, পিলে চমকে গেল তাদের ! সুরেষতো দেখেই বিকট চিত্কার মেরে বসল । ফারুক কোন রকমে তার মুখ চেপে ধরে সেখান থেকে কেটে পড়ল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব । বাড়ি ফিরে দুজনেই নিম পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে গোসল সেরে নিল । কিন্তু আসল ঘটনা চেপে গেল সবার কাছে ।

নতুন নতুন াবব ভয়ংকর ভুতের গল্প পড়তে banglagolp2020.blogspot.com  সাথেই থাকুন