Showing posts with label বাংলা ফ্যান্টাসি গল্প. Show all posts
Showing posts with label বাংলা ফ্যান্টাসি গল্প. Show all posts

Saturday, July 7, 2018

প্রেম হলো বিচ্ছেদের এক সমার্থক শব্দ (বাংলা গল্প)

বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিকালি তরুণ দেশ মানে এখানে অল্প বয়সী মেয়েদের ছড়াছড়ি…আর ছেলেদের বয়স তেমন দেখে না কেউ ই. ছেলের যোগ্যতা নিরুপিত হয় টাকা ,প্রতিষ্ঠা,শিক্ষা, চাকুরী তারপর বয়স… এই সর্বপ্রকার প্রাপ্ত পুরুষশাসিত সমাজে ৪০ বছরের বুড়ো হলেও ১৮ বছরের পরী পাওয়া ব্যাপার নাহ্… আমি জানি আপনাদের আশেপাশেও এমন এমন অনেক কাহিনী আছে মেয়ে উচ্চ শিক্ষীত বয়স বাড়তেছে,প্রেম ও করতেছে একটা বেকার ছেলের সাথে যার শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনভাবে এসএসসি ৷ ফ্যামিলির টেনশন… যোগ্য পাত্র পাওয়া যাচ্ছে নাহ্.. শিক্ষিত ছেলের অভাব? নাহ্ আসলে সুচিন্তার অভাব মানুষের !! যখন বিয়ের কথা বাসায় উঠতে বসতে শুনতে হয় তখন মেয়েটি বাসায় একটা সময় বলেই দেয় আমি ওনাকে বিয়ে করতে পারবো নাহ্, কারণ আমি একজনকে ভালবাসি!! বাসার সবার মুখ রাগে জ্বলজ্বল হয়ে যায়…রাতে খাবারের পরে বসে গোল টেবিল বৈঠক!! তারপর ছেলের যোগ্যতা জানতে চায়,মেয়েটি ফিসফিস করে বলে…এরপর শুরু হবে ছেলেটার চৌদ্দগুষ্ঠি এক করা…নাকছিটকানো ফ্যামিলির মেম্বারগনের৷ ছি তুই এটা কেমন ছেলেকে পছন্দ করলি?আমাদের সাথে যায় নাহ্,তুই একটা শিক্ষিক মেয়ে হয়ে এ ভুলটা কেন করলি…যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে তার সাথেই তোর বিয়ে ব্যস… কিন্তু মা বাবা বুঝবে না এটা বোঝার কথাও না যে ছেলেটার সাথে দুই তিনটা বছর কাটিয়েছে সে মানুষটা কেমন হবে তার কাছে কতোটা ভাল থাকবেতা তাদের মেয়ে শিক্ষিত হয়ে সেটুকু বোঝার ক্ষমতা রাখে!! শতকরা নব্বইটা পরিবারই চায় ছেলে হোক সব দিক থেকে হিট শিক্ষিত,উচ্চবংশের,টাকাওয়ালা!কিন্তু কখনোই জানতে চায় না তার মেয়ে নামি দামি গাড়ি আর চার তলার বাড়ির থেকে বড় সুখ খুঁজে পেয়েছে এইঅশিক্ষিত ছেলেটার বুকে.. সেই মেয়ের মা বাবারাই হলো প্রকৃত খুনী,আপনারা প্রতিনিয়ত খুন করেন একটা ছেলের হাজার হাজার স্বপ্নকে!কখনো সেই ছা পোষা বেকার বা অশিক্ষিত ছেলেটার সামনে বিবেকনিয়ে দাঁড়িয়েন… আপনার জন্ম দেওয়া সন্তানকে আপনার চেয়ে ভালবাসে কম ঠিকই কিন্তু তাকে বিক্রি করে দেয় নি কারো কাছে!!বরং নিজে বিক্রি হয়েছে ওই কর্পোরেটদের কাছে যারা মাসে দশ হাজার টাকা দিয়ে গোটা জীবন বন্ধক নেয়..সবই আপনার মেয়ের জন্য!!তাকে পাবার জন্য.. কষ্ট লাগে সেসব মেয়ে ছেলেদের জন্য যারা দু চারদিন কথা বলে প্রেম করে নিজের জীবন সঙ্গি বেছে নিক…এটা তাদের ফ্যামিলি চায় না বরং তারাই বদনাম করে ভাসিয়ে দেয়! অতঃপর শিক্ষিত সেই মেয়েটাকে অশিক্ষিতছেলেটা আর পায় না হারতে হয় হারাতে হয় নিজের কাছে…প্রতিরাতে ছেলেটার চোখের এক এক ফোঁটা জল জমে জমে দাঁড়িয়ে যায় একটা দেয়াল…অশিক্ষিত ছেলেটা তখন হয় নেশারু আর নেশারু সে ছেলেটার রক্তছিটকে পরে গলা দিয়ে…কোন এক মাঝরাতে তাই কেঁদে ওঠে দেয়ালের ইট গুলো আরো নতুন এক কবিতার জন্ম নেয়… সে খবর মেয়েটার মা বাবা কখনোই রাখে না এমনকি মেয়েটাও সংসারের চাপে অশিক্ষিত নেশারু ছেলেটাকে আর মনে রাখে নাহ্ তাকে নিয়ে আর স্বপ্ন বুনে না!পৃথিবী অদ্ভুত… প্রেম হলো বিচ্ছেদের এক সমার্থক শব্দ !!



নতুন নতুন রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প  পেতে  Banglagolpo.blogspot.com  সাথেই থাকুন।

বাংলা গল্প (ভালবাসার কষ্ট কারে কই!)

bangla golpo
পৃথিবীতে কাউকে আপন ভাবতে নেই… হয়তো এই টাই ঠিক যে – “নিজের সন্তানই আপনার না”… আর কিছুর কথা নাই বা বলি!! পরকে আপন ভাবতে যাওয়া আরো বেশী ঠিক না… কথায় বলে বল বল নিজের বল , সেই “গ্রন্থগত বিদ্যা আর পর হস্তে ধনের ন্যায়”…… নিজের প্রয়োজনেনিকট কারো সাহায্য আশা করা মোটেও ঠিক না ……।। তাতে সাহায্য পাবার সম্ভাবনা খুব কম… বরং সম্পর্ক নষ্ট হয় !!! সবাই তার নিকটজনকে ভালবাসার খুব সুন্দর অভিনয় করে ……… এটা ছলনার এক নামান্তর মাত্র…… তোমার সুসময়ে তুমি যদি কারো বাসায় যাও – “তার কাছে টাকা না থাকলে সে ঋণ করে এনে তোমাকে উপাদেয় খাবার পরিবেশন করবে !” তোমার দুঃসময়ে তুমি যদি কারো বাসায় যাও – “তার কাছে যতই টাকা থাক, সে তোমাকে দূর করে দিবে !” জীবনকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই একমাত্র লক্ষ্য। সময় ও সম্ভাবনা নিয়তির সূতায় বাঁধা, এ বাঁধনে নিজেকে বন্দি করেই বাঁচতে হয়। জগতে কোন কিছুই আপনার নয়! এমনকি নিজের প্রাণটাওনা। প্রাণ হলো তোমার নিকট বিধাতার দান। মিথ্যে মরীচিকার পিছে ছুটেশুধুই আমরা ক্লান্ত হই। পাপের বোঝা বাড়াই। ভালোবাসার ক্ষুধা আর পেটের ক্ষুধার মাঝে পার্থক্য হলো… প্রথমটা ছাড়া জীবন সঙ্গিন আরদ্বিত্বয়টা ছাড়া জীবন অচল !! হয়তো দুজনার যূদ্ধে ক্ষুধারই জয় হয়। তবু প্রথমটিকে না পাবার দুঃখে মানুষ অধিক ব্যাকুল হয়। ক্ষুধার কষ্ট যে কোনও খাবারে নিবৃত করা যায়, কিন্ত ভালোবাসার ক্ষুধা যে কাউকে দিয়ে মেটে না। তবে কাউকে ভালোবেসে কষ্ট পাবার চেয়ে কাউকে না ভালবাসতে পারাই হয়তো শ্রেয়। ভুল মানুষকে কখনো নিজের মনে বসাতে হয় না। সেই ভুল মানুষটির সাথে সম্পর্ক যাই হোক না কেন। যে তোমার মনকে বোঝে না………তার সাথে মিছে বন্ধনে না জড়ানই উত্তম! কখনো কারো কাছে মুখ ফুটে কিছু চাইতে নেই। তাতে অপমান আর লাঞ্ছনা বাড়ে। তার চেয়ে ভেবে নেয়া ভালো… “যা কোনদিনতোমার হবার, তা একদিন তোমার হবেই!” প্রাণ হারানো হয়তো মান হারানোর চাইতে ভালো। নিজের সাথে কখনো আপোষ করো না…।

বাংলা গল্প ( ভালবাসা এত কষ্ট কেন?)

বাংলা গল্প
বিষণ্ণতা এক অদ্ভুত রোগ, যখন পেয়ে বসে, মানুষের মনটা কেমন স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়, কিছুই ভাল লাগে না, কিংবা ভাল লাগার অনুভূতি গুলো সাময়িকভাবে বিশ্রাম নিতে শুরু করে। কোন কারণ নেই, কোন ব্যাখ্যা নেই, তবুও এক ভূতা অনুভূতি কেমন করে চারপাশের সবকিছুকে কেমন বিরক্ত এবং অসহনীয় করে তুলে তা বলে বা লিখে বুঝনো কঠিন। মানুষ প্রাণিটি খুব জটিল, মস্তিষ্ক নামক এক স্লট মেশিন কয়েন ছাড়াও অবিরাম খেলে যায়। বসে থাকার মতো ক্লান্তি নেই, দরকারের অদরকারের সব চিন্তা সে করতেই থাকে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে মনবলে আলাদা কিছু নেই, মস্তিষ্কেরই একটা অংশ কিন্তু আমরা মনকে আলাদাভাবেই ভাবতে পছন্দ করি। মনটা বড়ো বর্ণচোরা। নানা রকম বর্ণ ধারণ করতে পটু। এই রঙ হলুদ,নীল বেগুনী কিংবা আকাশী নয়, অদৃশ্য হাজার রকম রঙের খেলা করে মনে। আনন্দ মনকে বাসিয়ে তুলে হাজার রঙেরসমুদ্রে। দুঃখবোধ কেমন করে সেই সমুদ্রকে ছোট করে করে নিয়ে আসে পুকুরের কাছে। বিষণ্ণতা আরো কঠিন অবস্থা। পুকুরের পানি একদম নীরব,ঢেউ খেলে না। বিষণ্ণতা ভাঙাতে কারো ঢিল ছোড়া চাই। কিন্তু এমন সব পরিস্থিতে ঢিল নিয়ে কেও বসে থাকে না বলেই এই সময় কেমন করে জানি ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সমস্ত সূত্রকে ভুল প্রমাণিত করে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে। প্রতিটি মুহূর্তকে আলাদা আলাদা করে চেনা যায়। কোয়ান্টাম মেকানিকস এ এমন একটা ব্যপার আছে, পানির ধারাকে সরু করতে করতে এমন এক সময় আসে যখন তা আর ধারা থাকে না, ফোটায় পরিণত হয়, আলোর ব্যাপারটাও এমন, উৎস থেকে প্রবাহ সরু সরু করতে করতে এমন অবস্থায় আসে যখন আলোকে আর প্রবাহের ছকে ফেলা যায় না, তখন কণায় পরিণত হয়,যাকে ফোটন বলে এবং তখন এদেরকে গণা হয়, একটা আলো, দুইটা আলো এভাবে। বিষণ্ণতায় সময় গুলোকে এভাবে আলাদা আলাদা ভাবে গণা যায়। প্রতিটি সময়ের একক গুলোর বিস্তৃতি এতো এতো বিশাল যে প্রত্যেকটির মাঝে আরও অদ্ভুত সব ব্যাপার থাকে। প্রতিটি মুহূর্তেই অদ্ভুত সব চিন্তা রাজি তোমাকে হুল ফুটিয়ে যাবে, তুমি হয়তবা চিৎকার করবে মনে মনে, কিন্তু তোমার এই চিৎকার কেও বুঝতে পারবে না। তুমি হয়তবা আশা করবে, কেও তোমার সেই ছোট্ট পুকুরে ঢিল ছুড়ে প্রবাহের সৃষ্টি করবে, কিন্তু তা কখনোই হবে না, আরো কঠিন হতাশা সৃষ্টি হতে থাকবে। এ এক অদ্ভুত ব্যাপার। অথচ আনন্দের ব্যপারগুলোতে এই ব্যপার গুলো থাকে না। আইনস্টাইন ভর করে বসে আনন্দময় সময়গুলোর ঘাড়ে, বিশাল সময়ে বিস্তৃত সমুদ্রে তোমার নৌকা মুহূর্তেই অচিন্তনীয় দ্রুততার সাথে পার করিয়ে নিয়ে যায়, ঠিক বুঝেই উঠা যায় না, সময়ের প্রসারণ তখন উল্টে থাকে, অনেক বিশাল সময় কেমন করে এতো ছোট হয়ে যায় সেটাই আশ্চর্য। এ এক কঠিন ধাঁধাঁ। মাঝে মাঝে মনে হয়, এই আমি, আমার অস্তিত্ব, অনর্থক। আমি বসে আছি, অযথা। তবে অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্ব নিয়ে দ্বিধা থেকে জন্ম নেয় নতুন এক ধারণা। আমাদের এই অস্তিত্বের সমান্তরালে হয়তবাআছে আরও সব অস্তিত্ব। অস্তিত্ব সরলরেখার মতো এগিয়ে চলে অনস্তিত্বের সন্ধানে। এজন্য আমি আমার আমিকে কখনো দেখতে পাই না। নিজেকে বড়ো দেখতে ইচ্ছে করে। আমি হয়তবা বসে বসে গভীর বিষণ্ণ হয়ে অদ্ভুত সব ভাবছি, আর আমার দ্বিতীয় অস্তিত্ব হয়তবা আমার এই অবস্থা কিছুক্ষণ আগেই পার করে এসেছে, সুতরাং সে আগে থেকেই জানে, কিভাবে সময়ের অদ্ভুত প্রসারণ থামিয়ে দেওয়া যায়। তার কাছ থেকে জেনে নিয়ে আমিও থামিয়ে দেবো আমার প্রসারণ। কিন্তু আবার ভয়ও আছে, দুটি অস্তিত্ব সামনা সামনি দেখা হলে হয়তো নতুন অস্তিত্বের প্রবাহে সৃষ্টি হবে। নতুন অস্তিত্বে হয়তো, এই আমি নূতন হয়ে যাবো, আমার আমি তখন নতুন মাত্রা পাবে, কিন্তু আগের আমিটাকে খুব মিস করতে শুরু করবো। তখন শুরু হবে আবার নতুন সময়ের প্রসারণ। আবারসেই হুল ফুটানো আত্নচিৎকার। এই অদ্ভুত লোপ আরো কঠিন সময়ের মধ্যে নিয়ে আমাকে ফেলে দিতে পারে। না, আর হচ্ছে না, অস্তিত্বের অন্তর্ঘাত খুবই অসহনীয়। বিষণ্নতার কবিতা লিখতে ইচ্ছে করে - নিস্তব্ধতার আধার আর জেগে থাকার সারশূণ্যতায় আমাকে ঘিরে ক্রমেই বেড়ে উঠছে এক বুক হতাশা। বেচে থাকার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গগুলো ক্রমশ নির্জীব ধাবিত, জাগতি আলোময় কোলাহল গুলো কেমন দূর থেকে দূরে বহু দূরে যেতে যতে নিঃশেষ হতেছে প্রায়। মাঝে মাঝে বেদনার হুলফুটানো আত্নচিৎকার ভেসে যায় দেহের প্রতিটি শিরা উপশিরায়। আর ঘনকোয়াশাররঙহীন আকাশ মনের অজান্তেই ফেলে আসা দিনের স্মৃতির মতো বাররার ঘিরেরাখে কোন অজানায়। অলস ভাবনা গুলোর ক্লান্তিতে যেন বেঁচে থাকায় দায।